বাংলাদেশ বার কাউনন্সিল সমগ্র বাংলাদেশের বিজ্ঞ আইনজীবীদের সমন্বেয়ে গঠিত একটি পরিষদ। এই পরিষদ বাংলাদেশের সকল স্থানীয় আইনজীবী সমিতির বিধিবদ্ধ একটি কেন্দীয় প্রতিষ্ঠান।
বাংলাদেশ বার কাউন্সিল –
বাংলাদেশ বার কাউন্সিল আইনের মাধ্যমে গঠিত একটি বিধিবদ্ধ সংস্থা। এই সংস্থা সমগ্র বাংলাদেশের আইনজীবীদের তালিকাভুক্তি, আচারনবিধি,শাস্তি তথা সকল কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে। আইনজীবী হিসাবে কোন ব্যক্তির আইন পেশার র্শুু হইতে শেষ পর্যন্ত এই সংস্থা নিয়ন্ত্রণ করে। বাংলাদেশ বার কাউন্সিল- এর সকল কার্যক্রম President’s order No , 46 of 1972. The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council order and Rules,1972 দ্বারা নিয়ন্ত্রিত।

এই আইনে ৪৬ টি অনুচ্ছেদ ,১০১টি বিধি ,পেশাগত আচারন বিধির চারটি অধ্যায় রহিয়াছে। ইহাতে আইনজীবীর তালিকাভূক্তি, আচারণবিধি, শাস্তিসহ এই আইন সংক্রান্ত বিভিন্ন অনুচ্ছেদ বিধি ও ফরমের বর্ণনা আছে। ২৬ শে মার্র্চ ১৯৭১ হইতে এ আইনের কার্যকারিতা আরাম্ভ হয়। ইহার পূর্বে এই সংস্থা পূর্বে পাকিস্তান বার কাউন্সিল নামে কার্য সম্পাদন করিয়াছিল

The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council order 1972–এর ৩(১) অনুচ্ছেদ মোতাবেক, বার কাউন্সিল সংক্রান্ত এই আদেশের যাবতীয় কার্যক্রম বাংলাদেশ বার কাউন্সিল বলিয়া পরিগণিত হইবে।
আদেশের ৩(২) অনুচ্ছেদ মোতাবেক , বার কাউন্সিল আইন দ্বারা সুষ্ট একটি বিধিবদ্ধ সংস্থা। ইহার একটি সাধারন সীল থাকিবে এবং ইহা স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি অর্জন ও ধারন করিতে পারিবে চুক্তি সস্মাাদন করিতে পারিবে এবং নিজ নামে আদালতে মোকাদ্দমা করিতে পারিবে ও মোকাদ্দমায় প্রতিদ্বন্ধিতা করিতে পারিবে ।

বার কাউন্সিল আদেশের ১০ অনুচ্ছেদ মোতাবেক , বাংলাদেশ বার কাউন্সিল , কোন ব্যক্তিকে আইনজীবী হিসাবে তালিকাভূক্ত করণের উদ্দেশ্যে পরীক্ষা গ্রহণ, আইনজীবী হিসাবে তালিকাভূক্তকরণ, আইনজীবীদের পেশাগত আচারণ ও চরণের জন্য আইনজীবী তালিকা হইতে বহিস্কারকরণ , আইনজীবীদের অধিকার , সুযোগ-সুবিধা ও স্বার্থ রক্ষা ইত্যাদি কার্য সম্পাদন করিয়া থাকে। সংক্ষেপে বলা যায় যে, আইনজীবীদের স্বার্থ রক্ষার্থে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল এই সকল কার্যবলী সম্পাদন করিয়া থাকে।

এক কথায় বার কাউন্সিল আইনজীবী সম্পদায়ের অভিভাবক বলা হয়। ইহা সমগ্র বাংলাদেশের আইনজীবীদের পেশাগত কার্যক্রমের একমাত্র নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

[mcq id=”27″ ]