প্রশ্ন: ০১। ফৌজদারী কার্যবিধি কত সনে প্রতিষ্ঠিত হয় ?
উত্তর: ১৮৯৮ সনে ।
প্রশ্ন: ০২। এ আইনের ধারা কয়টি ?
উত্তর:৫৬৫ টি ।
প্রশ্ন: ০৩। ফৌজদারী কার্যবিধির কার্যকারিতা কতটুকু ?
উত্তর: ফৌজদারী কার্যবিধি বাংলাদেশের সর্বত্র প্রযোজ্য হবে ।
প্রশ্ন: ০৪। বিচার্য বিষয় বলতে কি বুঝ ?
উত্তর: মামলার ফলাফল যে সব তথ্যের উপর নির্ভর করে তাই বিচার্য বিষয় ।
প্রশ্ন: ০৫। অপরাধীর সহযোগীকে ক্ষমা প্রদর্শনের বিধান কত ধারায় আলোচিত হয়েছে ?
উত্তর: ৩৩৭ ধারায় ।
প্রশ্ন: ০৬। জামিনযোগ্য অপরাধ কি ?
উত্তর: যে সব অপরাধ ফৌজদারী কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলে জামিনযোগ্য বলে দেখানো হয়েছে অথবা যা বর্তমান বলবৎ কোন আইন দ্বারা জামিনযোগ্য করা হয়েছে। তাই জামিনযোগ্য অপরাধ বলে গণ্য হবে।
প্রশ্ন: ০৭। অপরাধ কি ?
উত্তর: অপরাধ বলতে যে সকল কার্য বা কার্যবিরতি বুঝায় বা বর্তমানে কোন আইনে শান্তিযোগ্য। এ সম্পর্কে ১৮৭১ সালের গবাদি পশুর বেআইনি প্রবেশ আইনের ২০ ধারা অনুযায়ী অভিযোগ দায়ের করা যায়।
প্রশ্ন: ০৮। চার্জ কত ধারায় ?
উত্তর: ২২১ ধারায়।
প্রশ্ন: ০৯। আমলযোগ্য অপরাধ কি ?
উত্তর: যে সকল অপরাধে পুলিশ অফিসার বিনা গ্রেফতারী পরোয়ানায় অভিয্ক্তু ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারে তাকে আমলযোগ্য বা বলে যেমন চুরি, খুনি ডাকাতি, ইত্যাদি।
প্রশ্ন: ১০। বিচার কার্যক্রম কি ?
উত্তর: বিচার বিভাগীয় কার্যক্রম বলতে ঐ সব কার্যক্রমকে বুঝায় যাতে আইন সম্মতভাবে শপথপূর্বক সাক্ষ্য গ্রহণ করা যেতে পারে। ধারা ৪(৬) ।
প্রশ্ন: ১১। আদালত গ্রাহ্য মামলা কি ?
উত্তর: আদালত গ্রাহ্য মামলা ঐ সকল মামলাকে বুঝায় যেখানে পুলিশ পারোয়ানা ছাড়াই অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারে।
প্রশ্ন: অব্যহতি কি ?
উত্তর: সাক্ষ্য প্রমাণের অভাবে যেক্ষেত্রে বিচারের পূর্বেই আসামীকে ছেড়ে দেয়া হয় তাই উরংপযধৎমব বা মুক্তি। অবশ্য তাতে আসামী নির্দোষ প্রমাণিত হয়।দোষ প্রমাণিত হলে পরে তাকে ধরা যায় বা গ্রেফতার করা যায়। (২৪১-ক ধারা)

প্রশ্ন: জেলা ও দায়রা জজ কি দুই ব্যক্তি?
একই বিচারক দেওানী ও ফৌজদারী মামলার বিচার পরিচালনা করিলে, যখন তিনি দেওয়ানী বিচার করিবেন তখন তিনি, জেলা জজ, এবং যখন তিনি ফৌজদারী বিচার করিবেন তখন তিনি ‘দায়রা জজ’ হিসাবে পরিচিত হইবেন।
প্রশ্ন: দেওয়ানী মামলায় আইনজীবী নিয়োগ কত ধারায় ?
দেওয়ানী মামলায় আইনজীবী নিয়োগ সম্পর্কে ‘দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৯’ এর ৩ আদেশ ৪ বিধিতে বলা হইয়াছে।
প্রশ্ন: ফৌজদারী মামলায় আইনজীবী নিয়োগ কত ধারায় ?
ফৌজদারী মামলায় আইনজীবী নিয়োগ ‘ফেজিদারী কার্যবিধি ১৮৯৮’ এর ৪৯৫ ধারায় বলা হইয়াছে।
প্রশ্ন: ফৌজদারী আইনে রেস জুডিকাটা কত ধারায়।
ফৌজদারী আইনে রেস জুডিকাটা‘ফৌজদারী কার্যবিধি ১৮৯৮’- এর ৪০৩ ধারায়।
প্রশ্ন: দেওয়ানী মামলায় আপীল করা যায় কত ধারায়?
দেওয়ানী মামলায় আপীল করা যায় ‘দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮’ এর-৯৬ এবং ১০৪ ধারায়।
ফৌজদারী মামলায় আপীল কত ধারায় ?
ফৌজদারী মামলায় আপীল ‘ফৌজদারী কার্যবিধি ১৮৯৮’ এর ৪০৭,৪০৮, ৪১০,৪১৭ এবং ৪১৭ক ধারায়।
প্রশ্ন: দেওয়ানী মামলায় রিভিশন কত প্রকার?
দেওয়ানী মামলায় রিভিশন‘ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮’-এর ১১৫ ধারায়।
প্রশ্ন: ফৌজদারী মামলায় রিভিশন কত ধারায়?
ফৌজদারী মামলায় রিভিশন ‘ফৌজদারী কার্যবিি ১৮৯৮’- এর ৪৩৬, ৪৩৬, ৪৩৯ ,এবং ৪৩৯ ধারায়।
প্রশ্ন: দেওয়ানী মামলায় রিভিউ কত প্রকার?
দেওয়ানী কার্যবিধি ১১৪ ধারা, ৪৭ আদেশ রিভিউ সম্পর্কে বলা হইয়াছে।
ফৌজদারী মামলায় রিভিউ কত ধারায় ?
ফৌজদারি কার্যবিধিতে রিভিাু- এর কোন বিধান রাখা হয় নাই।
প্রশ্ন: দেওয়ানী কার্যবিধি, ফৌজদারী কার্যবিধি এবং দন্ডবিধি’র ১০৭ ধারায় কি?
‘দেওয়ানী কার্যবিধি১৯০৮’এর ১০৭ ধারায় আপীল আদালতের ক্ষমতা, ‘ফৌজদারী কার্যবিধি ১৮৯৮’- এর ১০৭ধারায় শাস্তি রক্ষার মুচলেক,
‘দন্ডবিধি ১৮৬০’- এর ১০৭ ধারায় প্ররোচনার সংজ্ঞা বর্ণিত হইয়াছে।
প্রশ্ন: দেওয়ানী কার্যবিধি, ফৌজদারী কার্যবিধি এবং দন্ডবিধি’র ১০৯ ধারায় কি?
‘দেওয়ানী কার্যবিধির ১০৯ ধারায় হাইকোর্ট বিভাগের আদালত সম্পর্কে ’ ‘ফৌজদারী কার্যবিধি ১৮৯৮’ –এর ১০৯ ধারায় ভবঘুরে ব্যক্তির মুচলেকা, দন্ডবিধি ১৮৬০’- এর ১০৯ ধারায় প্ররোচনায় শাস্তি বর্ণিত হইয়াছে।
প্রশ্ন: দেওয়ানী কার্যবিধি, ফৌজদারী কার্যবিধি এর ১৪৪ ধারায় কি?
‘দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮’- এর ১৪৪ ধারায় প্রত্যার্পন এবং ‘ফৌজদারী কার্যবিধি ১৮৯৮’- এর ১৪৪ ধারায় জরুরী ক্ষেত্রে অস্থায়ী আদেশ সম্পর্কে বর্ণিত হইয়াছে।
প্রশ্ন: আদালতে ন্যায়বিচার না পাইবার আশংকা থাকিলে কি করিবেন ?
বিচার আদালতে ন্যায়বিচার না পাইবার আশংকা থাকিরে উচ্চ আদালতে মোকদ্দমা স্থানান্তরের দরখাস্ত করিতে হইবে।
দেওয়ানী আইনে মোকদ্দমা স্থানান্তরের ধারা কত ?
দেওয়ানী আইনে মোকদ্দমা স্থানান্তর ‘দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮’- এর ২৪ ধারায়।
প্রশ্ন: ফৌজদারী আইনে মোকদ্দমা স্থানান্তরের ধারা কত ?
ফৌজদারী আইনে মোকদ্দমা স্থানান্তর ‘ফৌজদারী কার্যবিধি ১৮৯৮’ এর ৫২৫,৫২৬,৫২৬খ, ৫২৮(১), ৪২৮(২) ধারায় বর্ণিত হইয়াছে।
প্রশ্ন: দেওয়ানী আইনে এক জেলা হইতে অন্য জেলায় মোকদ্দমা স্থানান্তরের ধারা কত ?
এক জেলা হইতে অন্য জেলার মোকদ্দমা স্থানান্তর সম্পর্কে ‘দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮’- এর ২৪ ধারায় বর্ণিত হইয়াছে।
প্রশ্ন: ফৌজদারী আইনে এক জেলা হইতে অন্য জেলায় মোকদ্দমা স্থানান্তরের ধারা কত ?
এক জেলা হইতে অন্য জেলায় ফৌজদারী মোকদ্দমা স্থানান্তর সম্পর্কে ‘ফৌজদারী কার্যবিধি ১৮৯৮’-এর ৫২৬ ধারায় বণিত হইয়াছে।

প্রশ্ন: ০১। ফৌজদারী কার্যবিধি কত সনে প্রতিষ্ঠিত হয় ?
উত্তর: ১৮৯৮ সনে ।
প্রশ্ন: ০২। এ আইনের ধারা কয়টি ?
উত্তর:৫৬৫ টি ।
প্রশ্ন: ০৩। ফৌজদারী কার্যবিধির কার্যকারিতা কতটুকু ?
উত্তর: ফৌজদারী কার্যবিধি বাংলাদেশের সর্বত্র প্রযোজ্য হবে ।
প্রশ্ন: ০৪। বিচার্য বিষয় বলতে কি বুঝ ?
উত্তর: মামলার ফলাফল যে সব তথ্যের উপর নির্ভর করে তাই বিচার্য বিষয় ।
প্রশ্ন: ০৫। অপরাধীর সহযোগীকে ক্ষমা প্রদর্শনের বিধান কত ধারায় আলোচিত হয়েছে ?
উত্তর: ৩৩৭ ধারায় ।
প্রশ্ন: ০৬। জামিনযোগ্য অপরাধ কি ?
উত্তর: যে সব অপরাধ ফৌজদারী কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলে জামিনযোগ্য বলে দেখানো হয়েছে অথবা যা বর্তমান বলবৎ কোন আইন দ্বারা জামিনযোগ্য করা হয়েছে। তাই জামিনযোগ্য অপরাধ বলে গণ্য হবে।
প্রশ্ন: ০৭। অপরাধ কি ?
উত্তর: অপরাধ বলতে যে সকল কার্য বা কার্যবিরতি বুঝায় বা বর্তমানে কোন আইনে শান্তিযোগ্য। এ সম্পর্কে ১৮৭১ সালের গবাদি পশুর বেআইনি প্রবেশ আইনের ২০ ধারা অনুযায়ী অভিযোগ দায়ের করা যায়।
প্রশ্ন: ০৮। চার্জ কত ধারায় ?
উত্তর: ২২১ ধারায়।
প্রশ্ন: ০৯। ঈড়মহরুধনষব ড়ভভবহপব কি ?
উত্তর: যে সকল অপরাধে পুলিশ অফিসার বিনা গ্রেফতারী পরোয়ানায় ( ) অভিয্ক্তু ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারে তাকে আমলযোগ্য বা বলে যেমন চুরি, খুনি ডাকাতি, ইত্যাদি।
প্রশ্ন: ১০। ঔঁফরপরধষ চৎড়পববফরহম কি ?
উত্তর: বিচার বিভাগীয় কার্যক্রম বলতে ঐ সব কার্যক্রমকে বুঝায় যাতে আইন সম্মতভাবে শপথপূর্বক সাক্ষ্য গ্রহণ করা যেতে পারে। ধারা ৪(৬) ।
প্রশ্ন: ১১। আদালত গ্রাহ্য মামলা কি ?
উত্তর: আদালত গ্রাহ্য মামলা ঐ সকল মামলাকে বুঝায় যেখানে পুলিশ পারোয়ানা ছাড়াই অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারে।
প্রশ্ন: ১২। উরংপযধৎমব কি ?
উত্তর: সাক্ষ্য প্রমাণের অভাবে যেক্ষেত্রে বিচারের পূর্বেই আসামীকে ছেড়ে দেয়া হয় তাই উরংপযধৎমব বা মুক্তি। অবশ্য তাতে আসামী নির্দোষ প্রমাণিত হয়।দোষ প্রমাণিত হলে পরে তাকে ধরা যায় বা গ্রেফতার করা যায়। (২৪১-ক ধারা)
প্রশ্ন: ১৩। উরংসরংং কি?
উত্তর: ২০২ ধারা অনুযায়ী ম্যাজিস্ট্রেট ফরিয়াদির জবানবন্দি নিয়ে তদন্তের ফল দেখে বা অনুসন্ধানের পর যদি দেখতে পান যে, আসামীর বিরুদ্ধে আপাতঃ দৃষ্টিতে কোন মামলা নেই তাহলে তিনি নালিশ বা অভিযোগের আবেদন বাতিল করে পারেন।
প্রশ্ন: ১৪। খালাস কি ?
উত্তর: সাক্ষ্য প্রমাণাদি গ্রহণের পর বিচারে আসামী নির্দোষ হলে তাকে বেকুসুর খালাস দেয়া হয় ইহার খালিসের আদেশ।
প্রশ্ন: ১৫। ঋ.ও.জ এর পূর্ণ নাম কি ?
উত্তর: ভরৎংঃ রহভড়ৎসধঃরড়হ জবঢ়ড়ৎঃ মামলায় একে এজাহার বলে এবং ইংরাজী ভাষায় সংক্ষেপে ঋ.ও.জ বলে। ইহার অর্থ প্রাথমিক তথ্য বিবরণী।
প্রশ্ন: ১৬। কত ধারা মোতাবেক ঋ.ও.জ হয় ?
উত্তর: ১৫৪ ধারা মোতাবেক।
প্রশ্ন: ১৭। কে ঋ.ও.জ দিতে পারে ?
উত্তর: কোন অপরাধ সংঘটিত হলে অপরাধ সম্পর্কে জ্ঞাত যে ব্যক্তি ঋ.ও.জ বা এজাহার দায়ের করতে পারে।
প্রশ্ন: ১৮।ঋ.ও.জ কি ?
উত্তর: কোন অপরাধ সম্পর্কে থানায় প্রাথমিকভাবে যে খবর দেয়া হয় তাই ঋ.ও.জ বা এজাহার যার ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়।
প্রশ্ন: ১৯। ঋ.ও.জ করার কোন নির্দিষ্ট সময়সীমা আছে কি ?
উত্তর: ঋ.ও.জদায়ের করার কোন সময়সীমা নেই। তবে অপরাধটি সংঘটিত হয়ে গেলে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব থাকায় উক্ত অপরাধ সংঘটনের খবর দিতে হয়।
প্রশ্ন: ২০। অভিযোগ কি ?
উত্তর: কোন ক্ষমতাবলে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক আদালতে অপরাধ সম্পর্কে যে খবর দেয়া হয় তাই নালিশ বা অভিযোগ।
প্রশ্ন ঃ ২১। অভিযোগ ও এজাহারের মধ্যে পার্থক্য কি?
উত্তর: অভিযোগ করা হলো আদালতে ম্যাজিষ্ট্রেটের নিকট ও এজাহার দায়ের করা হয় থানার ভারপ্রাপ্ত পুলিশ অফিসারের নিকট।
প্রশ্ন: ২২। মামলা স্থানান্তর সম্পর্কে ফৌজদারী কার্যবিধির কত ধারায় আলোকপাত করা হয়?
উত্তর: কার্যবিধির ৫২৬, ৫২৬(খ) এবং ৫২৮ ধারা অনুযায়ী।
প্রশ্ন: ২৩। অনুসন্ধান কি?
উত্তর: ধারা ৪(৩) মোতাবেক কোন ম্যাজিষ্ট্রেট বা আদালত কর্তৃক পরিচালিত বিচার ব্যতীত সমস্ত কার্যক্রম।
প্রশ্ন: ২৪। পুলিশ অফিসার বিনা পরোয়ানায় কাউকে গ্রেফতার করতে পারে কি?
উত্তর: ঈৎ.চ.ঈ এর ৫৪ ধারার উল্লেখিত ক্ষেত্রসমূহে একজন পুলিশ অফিসার বিনা পরোয়ানায় কোন ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারে।
প্রশ্ন: ২৫। গ্রেফতার কি ?
উত্তর: ধারা ৪৬(১) কথা বা কার্যদ্বারা আতœসমর্পন পুলিশ অফিসার অথবা গ্রেফতারকারী অন্য কোন ব্যক্তি গ্রেফতার এর সময় যাকে গ্রেফতার করা হচ্ছে বস্তুত তার দেহ স্পর্শ বা আটক করবেন।
প্রশ্ন: ২৬। কত ধারায় পুলিশ অফিসার বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারে ?
উত্তর: ঈৎ.চ.ঈ এর ৫৪ ধারায় ।
প্রশ্ন: ২৭। হুলিয়া কি ?
উত্তর: ধারা ৮৭ মোতাবেক গ্রেফতারী এড়াবার জন্য যিনি আতœগোপন করেছে তাকে অথবা পালতক অপরাধীকে নিদিষ্ট সময়ে হাজির হবার জন্য আদালত যে লিখিত আদেশ দেন তাই ….হুলিয়া।
প্রশ্ন: ২৮। ফেরারী অপরাধী কে ?
উত্তর: অপরাধ করার পর যে ব্যক্তি গ্রেফতার এড়াতে চেষ্টা করে তাকে ফেরারী অপরাধী বলে।
প্রশ্ন: ২৯। সমন ও গ্রেফতারী পরোয়ানার মধ্যে কি কোন পার্থক্য আছে ?
উত্তর: ১৯৮২ সনের ২য় সংশোধনীর মাধ্যমে পরিবর্তন করার ফলে বর্তমানে সমন ও গ্রেফতারী পরোয়ানার মধ্যে কোন পার্ধক্য নেই।
প্রশ্ন: ৩০। ঈৎ.চ.ঈ এর কোন ধারা অনুসারে ভরনপোষণের মামলা দায়ের করা যায় ?
উত্তর: ঈৎ.চ.ঈ এর ৪৮৮ ধারায়।
প্রশ্ন: ৩১। কত ধারা অনুশীলন ফৌজদারী মামলা স্থানান্তর করতে পারেন ?
উত্তর: ৫২৮ ধারা অনুযায়ী ।
প্রশ্ন: ৩২। আপীল কত ধারায় ?
উত্তর: ৪০৪ ধারায় ।
প্রশ্ন: ৩৩। আসামীকে কোর্টে হাজির করার কি কি পদ্ধতি আছে ?
উত্তর: আসামীর বিরুদ্ধে সমন জারী করে, ওয়ারেন্ট জারী করে অথবা অপরাধী ঘোষণা করে এবং তার সম্পত্তি ক্রোক করে ।
প্রশ্ন: ৩৪। ফৌজদারী মামলা কখন দায়ের করতে হবে এ সম্পর্কে আইনের বিধান কি ?
উত্তর: ফৌজদারী মামলা দায়েরের কোন নির্দিষ্ট বিধান আইনে নেই্ তবে ঘটনাটি ঘটার সংগে সংগেই মামলা দায়ের করা প্রয়োজন। কারণ বিলম্বে ন্যায়বিচারের বিঘœ ঘটে।
প্রশ্ন: ৩৫। চার্জ গঠন কত ধারায় ?
উত্তর: ফৌজদারী কার্যবিধির ২৪২ ধারায়।
প্রশ্ন: ৩৬। ৩৯৯ ধারায় কি বণিত হয়েছে ?
উত্তর। তরুণ অপরাধীর চরিত্র সংশোধনের জন্য আটক রাখর বিধান বর্ণিত হয়েছে।
প্রশ্ন: ৩৭। পুলিশের কাছে স্টেটমেন্ট রেকর্ডের ধারা কত ?
উত্তর: ফৌজদারী কার্যবিধি ১৬১ ধারায় ।
প্রশ্ন: ৩৮। ১৪৫ এবং ১৯৭ ধারার মধ্যে পার্থক্য কি ?
উত্তর: ১৪৫ ধারার বিধানগুলো আবেদনমূলক এবং ১০৭ ধারার বিধানগুলো বিবেচনামূলক।
প্রশ্ন: ৩৯। কোন পুলিশ অফিসার কি কোন স্ত্রীলোকের দেহ তল্লাশি করতে পারে ? না। মেট্রোপলিটন মহিলা পুলিশ তল্লাশির পয়োজন হলে শালীনতা বজায় রেখে তল্লাশি করতে পারে।
প্রশ্ন; ৪০। ঈ.ঝ এর অর্থ কি ?
উত্তর: ঈযধৎমব ঝযববঃ.
প্রশ্ন: ৪১। কত ধারায় ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট দোষ স্বীকারক্তি করা হয় ?
উত্তর: ফৌজদারী কার্যবিধি ১৬৪ ধারায়।
প্রশ্ন: ৪২। ঈ.উ এর অর্থ কি ?
উত্তর: ঈধংব উরধৎু.
প্রশ্ন: ৪৩। কোন ধারা অনুসারে অ-আমলযোগ্য অপরাধের সংবাদ ধানায় ভারপ্রাপ্ত অফিসারের নিকট পরিবেশন করা হয় ?
উত্তর: ১৫৫ ধারা।
প্রশ্ন: ৪৪। কোন ধারানুসারে সরেজমিনে অনুসন্ধান করা হয় ?
উত্তর: ১৪৮ ধারা ।
প্রশ্ন: ৪৫। ফৌজদারী কার্যবিধির কোন কোন ধারায় আপীল সংক্রান্ত বিধান রযেছে ?
উত্তর: ৪০৪ ধারা থেকে ৪৩১ ধারা পর্যন্ত।
প্রশ্ন: ৪৬। প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা কি ?
উত্তর: অনধিক ৫ বছর জেল এবং পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা ।
প্রশ্ন: ৪৭। ভরণপোষনের আদেশের বিরুদ্ধে আপীল চলে কি ?
উত্তর: না।
প্রশ্ন: ৪৮। হাইকোর্টে রিভিশন করার ক্ষমতার কথা ধারায় বর্ণিত হয়েছে ?
উত্তর: ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৩৯ ধারায় ।
প্রশ্ন: ৪৯। কার্যবিধির কত ধারানুসারে দায়রা জজ এর ক্ষমতা প্রয়োগ করে ?
উত্তর: ফৌজদারী কার্যবিধি ৪৩৯(ক) ধারা অনুসারে ।
প্রশ্ন: ৫০। অভিযোগ খারিজ করণের বিরুদ্ধে আপীল করা যায় কি করে ?
উত্তর: ফৌজদারী কার্যবিধির ২০৩ ধারা মোতাবেক খারিজ করণের বিরুদ্ধে আপীল করা যায়।

প্রশ্ন: ৫১। স্থাবর সম্পত্তি বিরোধের ফলে শাস্তিভঙ্গের আশংকা দেখা দিলে কত ধারা অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায় ?
উত্তর: ১৪৫ ধারা ।
প্রশ্ন: ৫২। দায়রা আদলাতের বিচার পদ্ধতি কত ধারায় ?
উত্তর: কার্যবিধির ২৬৬ (ক) হতে ২৬৬ (ঠ) ধারায় ।
প্রশ্ন:৫৩। বিপদ অথবা আসন্ন বিপদের জরুরী পরিসিÍতিতে অস্তায়ী আদেশ জারী করার ধারা কত?
উত্তর: ১৪৪ ধারা।
প্রশ্ন: ৫৪। গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে কোন ধারার বিধান অনুযায়ী ২৪ ঘন্টার বেশী আটক রাখা যাবে না?
উত্তর: ৬১ ধারা।
প্রশ্ন: ৫৫। বিরোধের বিষয়বস্তু ক্রোক করার ক্ষমতার বিধান কোন ধারায় আলোকপাত করা হয়েছে?
উত্তর: ১৪৬ ধারা।
প্রশ্ন: ৫৬। কোন ধারা অনুযায়ী বাদীর জবানবন্দি গ্রহন করা হয়?
উত্তর: ২০০ ধারা।
প্রশ্ন: ৫৭। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন না করা গেলে সেক্ষেত্রে কোন ধারানুযায়ী পরবর্তী পদ্ধতি গ্রহণ করা হয় ?
উত্তর: ১৬৭ ধারায় ।
প্রশ্ন: ৫৮। কত ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক মৃত্যুর কারণ অনুসন্ধান বিধান আলোকপাত করা হয় ?
উত্তর: ১৭৬ ধারা ।
প্রশ্ন: ৫৯। কোন ধারার বিধান মোতাবেক অবাধ্য ফরিয়াদির বা স্বাক্ষীকে আটক করে চালান দেয়া যায় ?
উত্তর: ১৭১ ধারায়।
প্রশ্ন: ৬০। ৪৯৬ ধারা কি ?
উত্তর: ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৯৬ ধারা জামিনযোগ্য অপরাধ।
প্রশ্ন: ৬১। ৪৯৭ ধারা কি ?
উত্তর: ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৯৭ ধারা জামিনের অযোগ্য অপরাধ।
প্রশ্ন: ৬২। কোন ধারার বিধান মোতাবেক পুলিশ অফিসার তদন্তের বিবরণ সম্বলিত ডায়রী সরংক্ষণ করবেন ?
উত্তর: ১৭২ ধারায় ।
প্রশ্ন: ৬৩। আসামীর আবেদনক্রমে মামলা স্থানান্তরের বিধান কত ধারায় আলোচিত হয়েছে ?
উত্তর: ১৯১ ধারায় ।
প্রশ্ন: ৬৪। কোন ধারার বিধান মোতাবেক থানার ভারপ্রাপ্ত পুলিশ অফিসার রিপোর্টে প্রদান করবেন ?
উত্তর: ১৭৩ ধারা ।
প্রশ্ন: ৬৫। নালিশী মামলা কি ?
উত্তর: ফৌজদারী কার্যবিধির ১৯০ ধারা অনুযায়ী ফরিয়াদী কর্তৃক ম্যাজিস্ট্রেট বরাবরে নালিশ দায়ের করাকে নালিশ মামলা বলে ।
প্রশ্ন: ৬৬। কোন নাগরিক কি কোন আসামীতে গ্রেফতার করতে পারে ?
উত্তর: যে কোন নাগরিক যে কোন আসামীকে গ্রেফতার করতে পারে।
প্রশ্ন: ৬৭। ফৌজদারী কার্যবিধির কত ধারায় আপীল দায়ের করা যায় ?
উত্তর: ১৮৯৮ সালের ফৌজদারী কার্যবিধি আইনের ৪০৪ ধারা অনুযায়ী ।
প্রশ্ন: ৬৮। ফৌজদারী কার্যবিধির কত ধারা পর্যন্ত আপীল সংক্রান্ত বিধান রয়েছে ?
উত্তর: আপীল সংক্রান্ত বিধান রয়েছে ৪০৪ ধারা হতে ৪৩১ ধারা পর্যন্ত ।
প্রশ্ন: ৬৯। ফৌজদারী কার্যবিধির কত দিনের মধ্যে রিভিশনের বিধান রয়েছে ?
উত্তর: ১৫৪ অনুচ্ছেদ মতে, ৬০ দিনের মধ্যে ।
প্রশ্ন: ৭০। ফৌজদারী কার্যবিধির ৪১৩ ধারা কি ?
উত্তর: তুচ্ছ মামলায় কোন আপীল নেই ।
প্রশ্ন: ৭১। ফৌজদারী কার্যবিধির বিধান মতে কত দিনের মধ্যে আপীল করা যায় ?
উত্তর: ১৫০ অনুচ্ছেদ মতে, ৭ দিনের মধ্যে ।
প্রশ্ন: ৭২। ৪০৭ ধারা কি ?
উত্তর: দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের দন্ডের বিপক্ষে জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আপীল করা।
প্রশ্ন: ৭৩। ৪০৬(ক) ধারা কি ?
উত্তর: জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও মূখ্য মহানগর হাকিমের দন্ডের বিপক্ষে দায়রা জজের নিকট আপীল করা।
প্রশ্ন: ৭৪। ৪০৮ ধারা কি ?
উত্তর: সহকারী দায়রা জজ বা ১ম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের দন্ডের বিপক্ষে দায়রা জজের নিকট আপীল করা।
প্রশ্ন: ৭৫। ৪১০ ধারা কি ?
উত্তর: দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট ডিভিশনের নিকট আপীল করা।
প্রশ্ন: ৭৬। ২০০৭ সালের ফৌজদারী কার্যবিধি সংশোধনী অর্ডিন্যান্স অনুসারে জেলা পর্যায়ে ম্যাজিস্ট্রেটদের পধানকে কি বলা হয় ?
উত্তর: চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ।
প্রশ্ন: ৭৭। ম্যাজিস্ট্রেট কত প্রকার ও কি কি ?
উত্তর: ম্যাজিস্ট্রেট দুই প্রকার । যথা- এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জুডিশিয়াল ম্যজিস্ট্রেট ।
প্রশ্ন: ৭৮। শান্তি ভঙ্গ হলে কোথায় মামলা করতে হয় ?
উত্তর: প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে মামলা করতে হবে।
প্রশ্ন: ৮০। মহিলাদের কত ধারায় জামিন দেয় ?
উত্তর: ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৯৭ ধারায়।
প্রশ্ন: ৮১। ১ম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের রায়ের বিরুদ্ধে কত ধারায় আপীল করবেন ?
উত্তর: ফৌজদারী কার্যবিধির ৪০৮ ধারায়।
প্রশ্ন: ৮২। কত ধারায় চার্জশীট দেয়া হয় ?
উত্তর: ফৌজদারী কার্যবিধির ১৭৩ ধারায় চার্জশীট প্রদান করা হয়। তবে ফৌজদারী কার্যবিধিতে চার্জশীট শব্দটি নেই। সেখানে বলা হয় পুলিশ রিপোর্ট। এটি পুলিশ রেগুলেশন -এর নিয়ম ২৭২- এর উল্লেখ আছে।
প্রশ্ন: ৮৩। জামিন যোগ্য অপরাধে অভিযুক্ত আসামীর জামিনের দরখাস্ত কত ধারা অনুসারে ?
উত্তর: ফৌজদারাী কার্যবিধির ৪৯৬ ধারা মতে।
প্রশ্ন: ৮৪। জামিনের অযোগ্য অপরাধে অভিযুক্ত আসামীর জামিনের দরখাস্ত করতে হয় কত ধারা অনুসারে ?
উত্তর: ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৯৭ ধারা অনুসারে।
প্রশ্ন: ৮৫। আগাম জামিনের জন্য কত ধারায় এবং কোথায় দরখাস্ত করতে হয় ?
উত্তর: ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৯৮ ধারা মতে দায়রা জজ আদালত কিংবা হাইকোর্টে আগাম জামিনের জন্য দরখাস্ত করতে হয়।
প্রশ্ন: ৮৬। পুলিশ সন্দেহজনক গ্রেফতার করে কত ধারায় ?
উত্তর: ফৌজদারী কার্যবিধির ৫৪ ধারায়।
প্রশ্ন: ৮৭। স্ত্রীলোকের দেহ তল্লাশী কত ধারা মতে কে করতে পারে ?
উত্তর: ফৌজদারী কার্যবিধির ৫২ ধারা মতে, স্ত্রালোকের দেহ তল্লাশী করা যায়। তবে কোন পুরুষ পুলিশ অফিসার এধনের তল্লাশী করতে পারবেন না। প্রয়োজনে কোন মহিলা দ্বারা তল্লাশী করা যেতে পারে।
প্রশ্ন: ৮৮। শান্তি ভঙ্গের মুচলেকা কত ধারায় নেয়া হয় ?
উত্তর: ফৌজদারী কার্যবিধির ১০৭ ধারায়।
প্রশ্ন: ৮৯। দায়রা জজের শাস্তি দানের ক্ষমতা কি ?
উত্তর: দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজ আইন অনুমোদিত সব ধরনের শাস্তি দিতে পারে। তবে মৃত্যু দন্ডের ক্ষেত্রে হাইকোর্টের অনুমোদন প্রয়োজন।
প্রশ্ন: ৯০। জেলা জজ এবং দায়রা জজ কি দুই জন ব্যক্তি ?
উত্তর: না, জেলা জজ এবং দায়রা জজ একজন ব্যক্তি। তিনি যখন দেওয়ানী প্রকৃতির মামলার বিচার করেন তখন তাকে জেলা জজ বলা হয় এবং যখন তিনি ফৌজদারী মামলার বিচার করেন তখন তাকে দায়রা জজ বলা হয়।
প্রশ্ন: ৯১। অভিযোগ এবং এজাহরের মধ্যে পার্থক্য কি ?
উত্তর: অভিযোগ করা হয় ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট এবং এজাহার দায়ের
করা হয় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নিকট।
প্রশ্ন: ৯২। গ্রেফতার কৃত ব্যক্তিকে পুলিশ কত ঘন্টা আটক রাখতে পারে ?
উত্তর: ফৌজদারী কার্যবিধির ৬১ ধারার বিধান মোতাবেক গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে পুলিশ ২৪ ঘন্টা আটক রাখতে পারে।
প্রশ্ন: ৯৩। ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট কর্তৃক বেল রিজেক্ট হলে এবং কেথায় মিস কেস করতে হয় ?
উত্তর: ম্যজিস্ট্রেট কোর্টে বেল রিজেক্ট হলে বিজ্ঞ জেলা ও দায়রা জজ/ মহানগর দায়রা আদালতে মিস কেস করে জামিনের আবেদন করতে হয়। মিস কেস উচ্চ আদালতে করতে হয়।যেমন- ম্যজিস্ট্রেট কোর্ট কর্তৃক রিজেক্ট হলে জেলা ও দায়রা জজ / মহানগর দায়রা জজ আদালতে এবং দায়রা জজ কর্তৃক রিজেক্ট হলে মাননীয় হাইকোর্টে মিস কেস করতে হয়।

 

[mcq id=”22″ ]